বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্যে সৌদি আরবে ওমরাহ ভিসায় নিয়ম / শর্তসমূহ
সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের জন্য অবশ্যই (ভিসার শর্ত হিসেবে) নিম্নোক্ত ডকুমেন্টসগুলো সাবমিট করতে হবে
- ✅অরিজিনাল পাসপোর্ট অবশ্যই কমপক্ষে ৬ মাসের ভেলিডিটি থাকতে হবে (যার অন্ততপক্ষে ৪টি পেজ ভিসা স্টাম্পিংয়ের জন্যে খালি থাকা প্রয়োজন)
- ✅কমপক্ষে ২ কপি সাম্প্রতিক ছবি যার ব্যাকগ্রাউন্ড হতে হবে সাদা
- ✅অরিজিনাল স্মার্ট কার্ড অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র
- ✅শিশুদের জন্যে জন্মসনদ
- ✅বিবাহিত / বিবাহিতা দম্পতির জন্যে বিবাহের সরকারি সনদের কপি
- ✅৪০ কিংবা তারচেয়ে কম বয়েসি (প্রাপ্তবয়স্কা) মহিলাদের জন্যে একা ভ্রমনের ক্ষেত্রে আইনত মাহরাম পুরুষের অনুমতিপত্র লাগবে।
আমাদের উমরাহ প্যাকেজ
- সাশ্রয়ী উমরাহ প্যাকেজ
- পারিবারিক উমরাহ প্যাকেজ
- প্রাতিষ্ঠানিক উমরাহ প্যাকেজ
- ডিসেম্বর উমরাহ প্যাকেজ
- রমাদান উমরাহ প্যাকেজ
যে সকল সুবিধা থাকছে
- ✅MoFA থেকে ভিসা ইস্যুকরন
- ✅৩স্টার ৪স্টার ৫স্টার মানের হোটেলে থাকার আবাসিক ব্যাবস্থা
- ✅এয়ারপোর্ট থেকে হোটেল, মক্কা, মদিনা ট্রান্সপোর্ট সুবিধা
- ✅প্রতিদিন নাস্তা
- ✅প্রয়োজনে মক্কা মদিনা জিয়ারতের ব্যাবস্থাপনা
- ✅সার্বক্ষনিক উমরাহ গাইড
ওমরাহ ভিসার খরচ – উমরাহ হজ্জ করতে কত টাকা লাগে
প্রতিটি ধর্মপ্রাণ বাংলাদেশী মুসলিমের কাছেই খানায়ে কা’বা তাওয়াফ সেইসাথে নবীর কবর – মসজিদে নববী জেয়ারত এক অসম্ভব সম্মান – আকাংখা – গর্বের বিষয়। কিন্তু কত কম খরচে ওমরাহ করা যায় এটা নিয়েও তাদের যথেস্ট কৌতুহল বিদ্যমান। সাধারনত বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সীগুলো নানারকম সুযোগ সুবিধাসহ প্যাকেজের উমরাহ অফার করে থাকে। সিজনভেদে এই উমরাহ প্যাকেজগুলোর মূল্যমান হয়ে থাকে একেকরকম।
ওমরাহ গমনেচ্ছু একজন হাজীকে যা যা করতে হবে:
- সৌদি আরবের ওমরা ভিসা প্রসেস
- এয়ার টিকেট (সৌদি আরবে যাওয়া আসা)
- হোটেল সুবিধা (থাকার জন্যে)
- খাবার (প্রতিদিন – সকালের নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার)
- জিয়ারত (মক্কা মদিনা ও প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী পবিত্র স্থানগুলো জিয়ারত)
ওমরা হজ্জ – খরচ – ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কিত কমন প্রশ্নজিজ্ঞাসাগুলো
-
উমরাহ সম্পন্ন করতে সাধারনত কয়দিন লাগে?
উমরাহ ভিসা সাধারনত ১৪ দিন, ২১ দিন, ৩০ দিন ও ৪৫ দিনের জন্যে ইস্যু করা হয়। তবে উমরাহ পালন করতে প্রকৃতপক্ষে ২ থেকে ৩ দিনের বেশী সময় লাগেনা।
-
মহিলাদের জন্যে মাহরাম ছাড়া কি উমরাহ করতে যাওয়া যায়?
সৌদি আরবের ধর্ম মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ঘোষণা আছে যে, মাহরাম ছাড়া প্রাপ্ত বয়স্ক কোন মহিলা যার বয়স ৪৫ এর কম তাকে ভিসা না দিতে পরামর্শ থাকবে। তবে ৪৫ এর উর্দ্ধে যাদের বয়স তাদের ক্ষেত্র এই নিয়মের শীথিলতা আছে।
উমরাহ ভিসা প্রসেসিং, কিংবা নিয়মিত উমরাহ প্যাকেজের সম্পর্কিত যে কোন প্রয়োজনে আমাদের সহযোগিতা নিন। কল করুন কিংবা সরাসরি যোগাযোগ করুন।

